Dhaka ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম নিয়ন্ত্রণে ৪টি প্রাকৃতিক সাপ্লিমেন্ট

  • নিউজ ডেস্ক
  • সংবাদ আপডেট এর সময় : ০৫:৩১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩২ জন দেখেছেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম বা আইবিএস একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা। এতে পেটব্যথা, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য ও ফাঁপাভাবের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওষুধের পাশাপাশি কিছু প্রাকৃতিক সাপ্লিমেন্ট নিয়মিত গ্রহণ করলে আইবিএস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

🔹 ইসবগুল
খাদ্য আঁশ সমৃদ্ধ ইসবগুল মল নরম করতে সহায়তা করে এবং ডায়রিয়ার সময় মলকে ঘন করে। এতে থাকা প্রিবায়োটিক উপাদান অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়ায়, যা হজমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

🔹 এল-গ্লুটামিন
এটি একটি অ্যামিনো অ্যাসিড, যা অন্ত্রের আবরণ মেরামত করে এবং প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত এল-গ্লুটামিন গ্রহণ করলে পেটব্যথা ও মলত্যাগের অনিয়ম কমে আসে। মাংস, মাছ, ডিম, দুধ, ডাল, ভাত ও সবজিতে এটি পাওয়া যায়।

🔹 প্রোবায়োটিকস
অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য রক্ষায় প্রোবায়োটিকস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি হজমে সাহায্য করে, ফাঁপাভাব কমায় এবং ডায়রিয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে। দই, কেফির, ফারমেন্টেড খাবার, ডাল ও শস্যজাত খাবারে প্রোবায়োটিকস পাওয়া যায়।

🔹 পিপারমিন্ট
সহজলভ্য এই ভেষজ অন্ত্রের পেশি শিথিল করে। এর ফলে পেটব্যথা, অতিরিক্ত গ্যাস ও ফাঁপাভাব দূর হয়। বিশেষ করে এন্টারিক-কোটেড ক্যাপসুল আকারে পুদিনা সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ আইবিএস রোগীদের জন্য কার্যকর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্রাকৃতিক সাপ্লিমেন্ট আইবিএস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হলেও সবার জন্য একইভাবে কার্যকর নাও হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই গ্রহণ করা উত্তম।

📌 সূত্র: এমএসএন

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতীয়দের ট্যুরিস্ট ভিসা সীমিত করল বাংলাদেশ

ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম নিয়ন্ত্রণে ৪টি প্রাকৃতিক সাপ্লিমেন্ট

সংবাদ আপডেট এর সময় : ০৫:৩১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম বা আইবিএস একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা। এতে পেটব্যথা, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য ও ফাঁপাভাবের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওষুধের পাশাপাশি কিছু প্রাকৃতিক সাপ্লিমেন্ট নিয়মিত গ্রহণ করলে আইবিএস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

🔹 ইসবগুল
খাদ্য আঁশ সমৃদ্ধ ইসবগুল মল নরম করতে সহায়তা করে এবং ডায়রিয়ার সময় মলকে ঘন করে। এতে থাকা প্রিবায়োটিক উপাদান অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়ায়, যা হজমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

🔹 এল-গ্লুটামিন
এটি একটি অ্যামিনো অ্যাসিড, যা অন্ত্রের আবরণ মেরামত করে এবং প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত এল-গ্লুটামিন গ্রহণ করলে পেটব্যথা ও মলত্যাগের অনিয়ম কমে আসে। মাংস, মাছ, ডিম, দুধ, ডাল, ভাত ও সবজিতে এটি পাওয়া যায়।

🔹 প্রোবায়োটিকস
অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য রক্ষায় প্রোবায়োটিকস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি হজমে সাহায্য করে, ফাঁপাভাব কমায় এবং ডায়রিয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে। দই, কেফির, ফারমেন্টেড খাবার, ডাল ও শস্যজাত খাবারে প্রোবায়োটিকস পাওয়া যায়।

🔹 পিপারমিন্ট
সহজলভ্য এই ভেষজ অন্ত্রের পেশি শিথিল করে। এর ফলে পেটব্যথা, অতিরিক্ত গ্যাস ও ফাঁপাভাব দূর হয়। বিশেষ করে এন্টারিক-কোটেড ক্যাপসুল আকারে পুদিনা সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ আইবিএস রোগীদের জন্য কার্যকর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্রাকৃতিক সাপ্লিমেন্ট আইবিএস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হলেও সবার জন্য একইভাবে কার্যকর নাও হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই গ্রহণ করা উত্তম।

📌 সূত্র: এমএসএন